জিমেইল সিকিউরিটি সম্পর্কিত তথ্য
বর্তমানে ডিজিটাল যুগে ইমেইল শুধু বার্তা পাঠানোর মাধ্যম নয়, এটি আমাদের ব্যাংক,সোশ্যাল মিডিয়া,অফিসের ডেটা এবং ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদানের একটি শক্তিশালী মাধ্যম। অতএব জিমেইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সূচীপত্র:
2-Step Verification চালু করা
2-Step Verification চালু করা থাকলে Gmail লগইন করার সময় পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি একটি অতিরিক্ত কোড চায়। যা আপনার ফোনে Massage যাবে। ফলে পাসওয়ার্ড চুরি হলেও অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত থাকে।এবং পাসওয়ার্ড কমপক্ষে 12 অক্ষরের বিশেষ করে বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা ও সিম্বলের মিশ্রণ হতে হবে।
পাসওয়ার্ড
একই পাসওয়ার্ড একাধিক প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার না করাই উত্তম।এতে আপনার একাউন্ট নিরাপদে থাকবে। জিমেইলের"Last account activity" অপশন থেকে দেখতে পারেন কোনো অজানা ডিভাইস বা লোকেশন থেকে লগইন হয়েছে কিনা।
অচেনা লিংক ক্লিক করা যাবে না
জিমেইলের (Report phishing) অপশন ব্যবহার করুন।Googleএর Security checkup Tools আপনাকে জানিয়ে দেবে আপনার অ্যাকাউন্টে কোনো ঝুঁকি আছে কি না। রিকভারি ইমেইল ও ফোন নম্বর Add করলে যেকোন সমস্যায় দ্রুত অ্যাকাউন্টটি পুনরুদ্ধার করা যায়।অচেনা লিংক ক্লিক করা যাবে না।সন্দেহজনক অ্যাটাচমেন্ট ডাউনলোড করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
আমি একজন Ordinary IT এর ছাত্র ও শুভাকাঙ্ক্ষী। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ একজন এডমিন ও প্রশিক্ষকগন দ্বারা লাইভ ক্লাস ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর সাথে ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, এডিটিং, রাইটিংসহ প্রয়োজনীয় সকল বিষয়ে Recorded ক্লাস দেওয়া হয়। যা পরবর্তীতে ভিডিও দেখে দেখে Practical কাজ করা যায়।যেকোনো প্রয়োজনে যেকোনো সময় সরাসরি অথবা অনলাইনে সাপোর্ট পাওয়া যায়। Ordinary IT আপনাকে একজন দক্ষ আইটি কারিগর হিসেবে গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।